পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪ বছর আগে নালিতাবাড়ী উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের বড়ডুবি গ্রামের সোহেল মিয়ার সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামের লিটন মিয়ার মেয়ে নিপা আক্তারের। তাদের ঘরে আড়াই বছরের এক কন্যা সন্তানও রয়েছে। তবে বিয়ের পর থেকেই স্বামী-শাশুড়িসহ শশুড় বাড়ির লোকদের মাধ্যমে নানাভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যাচারের শিকার হতো নিপা। পরে মঙ্গলবার দুপুরে বসতঘরের আড়ার সাথে রশির মাধ্যমে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে নিপা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
এদিকে মঙ্গলবার রাতেই স্বামীর বাড়িতে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার ঘটনায় নিপার মা হামিদা খাতুন বাদী হয়ে নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী, শাশুড়িসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে শাশুড়ি শহিতন বেগমকে গ্রেফতার করে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় গৃহবধূর মা বাদী হ্য়ে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এতে রাতেই একজনকে গ্রেফতারের পর বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামিদের ধরতে পুকিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



