শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচিব বলেন, ‘মানুষ সুশাসন চায়। কিন্তু সেটি একদিনে আলোচনা করে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন দেশে ১০-১৫ বছর ধরে আলোচনা চলে। নির্বাচনের পর আবারও সংলাপ হতে পারে। নেপালে এমন সংস্কার করতে ৯ বছর লেগেছে।’
‘অনেকে বলার চেষ্টা করেন যে, নারী-শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব নেই জুলাই সনদে। তাহলে রাজনৈতিক দলগুলো কি সব শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিত্ব করে না? সব কিছুই সনদে আছে।’
কর্মসংস্থান তৈরি করা পরবর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে মন্তব্য করে শফিকুল আলম বলেন, ‘এআই এখানে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।’
প্রেস সচিব জানান, পাঁচ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করা হয়েছে রেল প্রজেক্টে। সব কিছু গোপালগঞ্জে টাচ করা হয়েছে। এসব কিছু করেছে শেখ হাসিনার চোরতন্ত্র। আগামী সরকারকে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোকে শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘শেখ হাসিনার ব্যাপারে সবাইকে স্পষ্ট বক্তব্য দিতে হবে। শেখ হাসিনা আজকেও বলেছেন, জুলাইয়ের আন্দোলনকারী সবাই সন্ত্রাসী। ১৮ কোটি মানুষকে সন্ত্রাসী বলে ক্ষমতায় আসতে চায় আওয়ামী লীগ। সন্ত্রাসী বলে দেশের মানুষকে হত্যাযজ্ঞ করতে চায়। এ ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোকে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।’



