পাকিস্তানে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দেশটির সামরিক বাহিনীর কমপক্ষে ১৮ সদস্য নিহত হয়েছেন। উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পৃথক হামলায় প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে একটি আত্মঘাতী হামলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১০ জন সৈন্য নিহত হয়েছেন বলে একটি গোয়েন্দা সূত্র বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে। এই হামলার এক দিনেরও কম আগে হওয়া আরেকটি হামলায় আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আরও আটজন সৈন্য নিহত হয়েছেন।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, বিস্ফোরণ ও হামলার এই ঘটনা মালি খেল চেকপয়েন্টের অবকাঠামোর পাশাপাশি সামরিক যানের “উল্লেখযোগ্য ক্ষতি” করেছে। হাফিজ গুল বাহাদুর সশস্ত্র গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, যদিও পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) আনুষ্ঠানিকভাবে মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেনি, তবে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, খাইবার পাখতুখাওয়ার তিরাহ উপত্যকায় জঙ্গিদের সাথে ভয়ঙ্কর বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে আট নিরাপত্তা কর্মী নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
বার্তাসংস্থা এএফপি মঙ্গলবার জানিয়েছে, বন্দুকযুদ্ধে ৯ জন জঙ্গিও নিহত হয়েছে। বাগ-ময়দান মারকাজের কাছে সশস্ত্র বন্দুকধারীরা একটি সামরিক ক্যাম্পে হামলা চালানোর পর সেখানে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম বলছে, উপজাতীয় প্রবীণদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল অজ্ঞাত স্থানে সশস্ত্র অপহরণকারীদের সাথে আলোচনা করে। আলোচনা সফলভাবে সমাপ্ত হয় এবং এর ফলে পুলিশদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয়।
জেলা পুলিশ কর্মকর্তা জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, কোনো মুক্তিপণ বা শর্ত ছাড়াই পুলিশ সদস্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে উপজাতীয় প্রবীণরা মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।



