তাদের মতো স্বপ্নের এই ট্রেবল আর্জেন্টিনাও জিতেছে (২০২১ কোপা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা)। গত পাঁচ বছরের পরিসংখ্যান ও বিশ্লেষণের আলোকে বর্তমান সময়ের সেরা দল হিসেবে অনায়াসেই আর্জেন্টিনার নাম উল্লেখ করা যায়। গত ১৭ বছরে তারা ৭টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে। আর শিরোপা জিতেছে তিনটি। এই ডিজিটাল যুগে এবং রাফ অ্যান্ড টাফ ফুটবলের সময়ে কোনো দলের এতবার ফাইনালে খেলাটা দারুণ গৌরবের। এজন্য অনেক ফুটবলবোদ্ধা আর্জেন্টিনার নাম দিয়েছেন ‘ফাইনালন্টিনা’! আবার অনেকেই একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা ফুটবল দলও মনে করেন ‘আকাশী-সাদা’ বাহিনীকে।
৬ বার ফাইনাল খেলেছে, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। বিশ^কাপে খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন লিওনেল মেসি (২৬)। বেশি আসরে (যুগ্মভাবে ৫ বার) খেলেছেন মেসি। বেশি গোল কন্ট্রিবিউশন (২১) মেসির। ১ আসরে বেশি টাইব্রেকার শট সেভ (৪) সের্জিও গয়কোচিয়ার (১৯৯০)। একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে টানা ২ আসরে হ্যাটট্রিক গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার (১৯৯৪ ও ১৯৯৮)। সবচেয়ে বেশি সময় মাঠে ছিলেন মেসি (২৩১৪ মিনিট)। সবচেয়ে বেশি ম্যাচে ক্যাপ্টেন্সি (১৯) মেসির। সবচেয়ে বেশি গোল্ডেন বল জিতেছেন মেসি (২বার)।
সবচেয়ে বেশিবার ম্যাচসেরা (১১বার) মেসি। ১ আসরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচসেরা (৫বার) মেসি। একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে গ্রুপ পর্ব, দ্বিতীয় রাউন্ড, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে গোল করেছেন মেসি (২০২২)।
আর্জেন্টিনার রেকর্ডের বরপুত্র মেসি দেশর হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ (১৯১), বেশি গোল (১১২), বেশি এসিস্ট (৫৮), বেশি হ্যাটট্রিক (১০) করেছেন। আর্জেন্টিনার তিন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ড্যানিয়েল প্যাসারেলা (১৯৭৮), দিয়াগো ম্যারাডোনা (১৯৮৬) ও লিওনেল মেসি (২০২২)। এদের মধ্যে প্যাসারেলা দু’বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন।



