হাওয়া খাতুনের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার কৃষ্ণপুর প্রাইমারি স্কুলের পাশে। তার স্বামীর নাম আজিজুল। সংগঠনের সদস্যরা প্রথমে তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। অসুস্থতার কারণে তিনি তার নাম-ঠিকানা পরিষ্কারভাবে বলতে পারছিলেন না।

পরবর্তীতে, রক্ত সৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন তার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে। এর মাধ্যমেই তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়।

বৃদ্ধার নাতি পরিচয় দিয়ে একজন ফোন করে তাদের স্বজনদের পরিচয় নিশ্চিত করেন। রক্ত সৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন বিষয়টি শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ এবং চেয়ারম্যান রাজিয়া সামাদ ডালিয়াকে জানান।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে হাওয়া খাতুনের মেয়ে-ঘরের নাতি নাছির ও আরজু বেগম শেরপুরে এসে তাকে নিতে আসেন। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ, রক্ত সৈনিক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাজিয়া সামাদ ডালিয়া এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলামিন রাজুসহ শেরপুর প্রেসক্লাবের সদস্যদের উপস্থিতিতে হাওয়া খাতুনকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

হাওয়া খাতুনের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিনি ৪ জানুয়ারি নিখোঁজ হন। তার দুই ছেলে ঢাকায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে খুঁজতে স্থানীয়ভাবে মাইকিং এবং থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ বলেন, “বৃদ্ধার বিষয়ে খবর পেয়ে স্থানীয় বৃদ্ধাশ্রমে যোগাযোগ করি। ঠিক তখনই একটি অজানা নম্বর থেকে ফোনে তার পরিবারের সদস্যরা পরিচয় দেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।”

বৃদ্ধাকে উদ্ধার ও পুনর্মিলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় রক্ত সৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তার পরিবার।