বুধবার (৩০ এপ্রিল) তাকে সিএমএম আদালতে হাজির করে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে এ আদেশ দেন আদালত।
শুনানির সময় তার পক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে বিরোধিতা করেন। জুলাই আন্দোলন দমনে তার কোনো ভূমিকা ছিল না বলেও দাবি করেন তার আইনজীবী। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সিদ্দিকুর রহমান তার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাত্র-জনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সালাম তার ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করা হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছানাউল্ল্যাহ তার ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে বেইলি রোড দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু যুবক সিদ্দিককে আটক করে। পরে তাকে রমনা থানা থেকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বছরের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলশানের শাহজাদপুরে কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে ভ্যান চালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৯ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় বাদী হয়ে এ মামলা করেন জব্বার আলী হাওলাদার।



